ব্রেকিং:
ঈদের নামাজ শেষে গোমতীতে ঝাঁপ দেয়া যুবকের মরদেহ পাওয়া গেছে লালমাইয়ে করোনা আক্রান্ত শিশু লামিয়া সুস্থ ঈদের নামাজ থেকে আসার পর করোনায় আক্রান্ত এবারের ঈদ ছিল অনলাইনময় করোনা আক্রান্ত হয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের পিতার মৃত্যু আওয়ামী লীগই জনগণের পাশে থাকে, এটাই আওয়ামী লীগের ঐতিহ্য - ওবায়দুল পাশে উঁচু জায়গা রেখে পরিকল্পিতভাবে পানিতে ঈদের নামাজ ৯ জুন পর্যন্ত ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো এনবিআর লোহাগড়ায় ঈদ উপহার পাঠালেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া নতুন ১৫২ সদস্যসহ পুলিশে করোনা আক্রান্ত চার হাজার ছাড়াল প্লাজমা দিতে চান এই চিকিৎসক দম্পতি হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের বিরিয়ানি খাওয়ালেন আ’লীগ নেতা অনির্দিষ্টকাল জনগণের আয়ের পথ বন্ধ রাখা সম্ভব নয়: প্রধানমন্ত্রী নজরুলের গান আবৃত্তি করে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল দুই শতাধিক পথশিশু ‘করোনার শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা’ মোবাইল অ্যাপ ও হটলাইনে সাংসদ আসলামুল হকের অভিনব খাদ্য সহায়তা জাতীয় কবির ১২১তম জন্মদিন আজ বাঙ্গালির ঈদ উৎসবে ‘রমজানের ওই রোজার শেষে’র আগমন কিভাবে? দেশবাসীকে আওয়ামী লীগের ঈদ শুভেচ্ছা
  • বুধবার   ২৭ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১৩ ১৪২৭

  • || ০৩ শাওয়াল ১৪৪১

৪২৪

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০১৯  

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল এন্ড ডায়গনিস্টিক সেন্টারে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় এক প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

নিহত সীমা আক্তার(২৫) তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ মিয়ার মেয়ে এবং জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মিন্টু মিয়ার স্ত্রী। এবং তাঁর ছয় বছর বয়সী একাটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে ওই হাসপাতালে রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করলে হট্টগোল শুরু হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে এবং অবহেলার অভিযোগে হাসপাতালের ম্যানেজার সুমনকে আটক করে। বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের খালা লাকি আক্তার জানান, আমরা বুধবার দুপুরে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার আসবে বলে আমাদের ৪/৫ঘন্টা বসাইয়া রাখে। সন্ধ্যায় সেলাইন দেয়ার পর রত্না ডাক্তার এসে আমার ভাগনির শরীল ঠান্ডা দেখে এ্যাম্বুলেন্স ডেকে দেয় এবং  দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে। এ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর পর আমার বইনজি(ভাগনী) মারা যায়।

ডাক্তার সিফাত হোসেন রত্না বলেন, এখানে আমাদের অবহেলার কোন কিছুই নেই, কারণ বুধবার আমরাতো রোগীকে কোন চিকিৎসাই দেয়নি। কেননা সীমা নামের এই রোগীর শারীরিক অবস্থা ভালো ছিলো না। সিজারিয়ান করার মত অবস্থা ছিলো না তার। গত ১৯ অক্টোবর সীমা আক্তারকে দেখে ওই দিনই রোগীকে দেখে ঢাকা অথবা কুমিল্লায় নিয়ে সিজার অপারেশন করার প্রেসকিপশন দিয়েছি। তার পরও তারা ঢাকায় না গিয়ে ১০ দিন পর আবার এখানে নিয়ে আসছে।  আমি বলবো এ মৃত্যুর জন্য চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ ঠিক নয়, পরিবারের লোকজনের গাফলতি এখানে অনেকটাই দায়ী।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতে ওই হাসপাতালে যাই। সার্কেল স্যার আবু সালাম চৌধুরী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও জামাল উদ্দিন এর উপস্থিতিতে প্রাথমিক ভাবে আমরা যেটা পেলাম সেট হলো , এই রোগীটার অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিলো, এ্যাকলামশিয়া বা খিচুনী থাকায় গত ১৯ তারিখ তাদেরকে ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে, পরে তারা সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখান থেকেও একই পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে আরএমও মহোদয় জানিয়েছেন। রোগী হাসপাতালে আসার পর ৪/৫ ঘন্টায় কোন চিকিৎসা পেয়েছে বলে আমাদের মনে হয়নি। ইচ্ছাকৃত হোক আর অনিচ্ছাকৃত হোক বা যে কারনেই হোক রোগীর মুত্যু হাসপাতাল কতৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা বলে আপাতত প্রতীয়মান হওয়ায় ম্যানেজার সুমনকে আমারা গ্রেফতার করেছি। ময়না তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের মাধ্যেমে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর