ব্রেকিং:
পুলিশের অভিযানে নারী সহ পলাতক আসামি আটক এমপির নামে ভুয়া নিউজ প্রকাশ করায় থানায় মামলা মামলা প্রতাহারের দাবীতে প্রাননাশের হুমকি বিশ্বরোডের ছন্দু ও বড় মিয়া হোটেলকে জরিমানা শত বছরের পুরোনো মদের কারখানা গুড়িয়ে দিয়েছে প্রশাসন আমানিয়া হোটেল’কে ২০ হাজার টাকা জরিমানা আফ্রিকায় সন্ত্রাসীদের আগুনে কুমিল্লার যুবকের মৃত্যু ৬ জেলার ৪৯ জন করদাতাকে সম্মাননা নুসরাত হত্যার প্রধান আসামি এখন কুমিল্লা কারাগারে ট্রাক চাপায় এসআই নিহত নকলের দায়ে পরীক্ষার্থী, শিক্ষক ও ঝাড়ুদার বহিষ্কার ড্যান্ডি`তে আসক্ত নগরীর ছিন্নমূল পথশিশুরা ডায়াবেটিস প্রতিরোধের পাঁচ উপায় আর্থিক লেনদেন করা যাবে ফেসবুকে বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হচ্ছেন ৪৮ জন নারীর মন জয় করুন এই কৌশলে তাওবার ৬ উপকারিতা সাকিব না থাকায় ভারতীয় সিকিউরিটি গার্ডের আফসোস ফোকফেস্টের পর্দা উঠছে আজ সমুদ্রের জলে ভেসে এলো ১০০০ কেজি কোকেন

শুক্রবার   ১৫ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ৩০ ১৪২৬   ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
৩১৭

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের অবহেলায় প্রসূতির মৃত্যু

প্রকাশিত: ১ নভেম্বর ২০১৯  

কুমিল্লার দাউদকান্দিতে ভিক্টোরিয়া হাসপাতাল এন্ড ডায়গনিস্টিক সেন্টারে কর্তৃপক্ষের অবহেলায় এক প্রসূতি মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

নিহত সীমা আক্তার(২৫) তিতাস উপজেলার জিয়ারকান্দি ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের আব্দুস সামাদ মিয়ার মেয়ে এবং জামালপুর জেলার দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার মিন্টু মিয়ার স্ত্রী। এবং তাঁর ছয় বছর বয়সী একাটি কন্যা সন্তান রয়েছে। এ নিয়ে ওই হাসপাতালে রোগীর স্বজনরা অভিযোগ করলে হট্টগোল শুরু হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করে এবং অবহেলার অভিযোগে হাসপাতালের ম্যানেজার সুমনকে আটক করে। বুধবার সন্ধ্যায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহতের খালা লাকি আক্তার জানান, আমরা বুধবার দুপুরে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার আসবে বলে আমাদের ৪/৫ঘন্টা বসাইয়া রাখে। সন্ধ্যায় সেলাইন দেয়ার পর রত্না ডাক্তার এসে আমার ভাগনির শরীল ঠান্ডা দেখে এ্যাম্বুলেন্স ডেকে দেয় এবং  দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে। এ্যাম্বুলেন্সে উঠানোর পর আমার বইনজি(ভাগনী) মারা যায়।

ডাক্তার সিফাত হোসেন রত্না বলেন, এখানে আমাদের অবহেলার কোন কিছুই নেই, কারণ বুধবার আমরাতো রোগীকে কোন চিকিৎসাই দেয়নি। কেননা সীমা নামের এই রোগীর শারীরিক অবস্থা ভালো ছিলো না। সিজারিয়ান করার মত অবস্থা ছিলো না তার। গত ১৯ অক্টোবর সীমা আক্তারকে দেখে ওই দিনই রোগীকে দেখে ঢাকা অথবা কুমিল্লায় নিয়ে সিজার অপারেশন করার প্রেসকিপশন দিয়েছি। তার পরও তারা ঢাকায় না গিয়ে ১০ দিন পর আবার এখানে নিয়ে আসছে।  আমি বলবো এ মৃত্যুর জন্য চিকিৎসকদের অবহেলার অভিযোগ ঠিক নয়, পরিবারের লোকজনের গাফলতি এখানে অনেকটাই দায়ী।

দাউদকান্দি মডেল থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান, খবর পেয়ে রাতে ওই হাসপাতালে যাই। সার্কেল স্যার আবু সালাম চৌধুরী ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও জামাল উদ্দিন এর উপস্থিতিতে প্রাথমিক ভাবে আমরা যেটা পেলাম সেট হলো , এই রোগীটার অবস্থা আগে থেকেই খারাপ ছিলো, এ্যাকলামশিয়া বা খিচুনী থাকায় গত ১৯ তারিখ তাদেরকে ঢাকায় নিয়ে যেতে বলে, পরে তারা সরকারী হাসপাতালে নিয়ে যায়, সেখান থেকেও একই পরামর্শ দেয়া হয়েছে বলে আরএমও মহোদয় জানিয়েছেন। রোগী হাসপাতালে আসার পর ৪/৫ ঘন্টায় কোন চিকিৎসা পেয়েছে বলে আমাদের মনে হয়নি। ইচ্ছাকৃত হোক আর অনিচ্ছাকৃত হোক বা যে কারনেই হোক রোগীর মুত্যু হাসপাতাল কতৃপক্ষের দায়িত্বহীনতা বলে আপাতত প্রতীয়মান হওয়ায় ম্যানেজার সুমনকে আমারা গ্রেফতার করেছি। ময়না তদন্তের মাধ্যমে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ের মাধ্যেমে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর