ব্রেকিং:
তদন্তে গাফিলতি প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা: রেলমন্ত্রী টুটুলের আবিষ্কার: পলিথিন থেকে জ্বালানি বাংলাদেশের ফুটবলে চমক উপহার দিতে চায় ব্রাজিল জঙ্গিবাদের রূপ দিতে আবির্ভাব হয় সাম্প্রদায়িক অশুভ শক্তি চার ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে প্রধানমন্ত্রীর অনুদান রাজধানীতে ৫০ কোটি টাকার সাপের বিষ উদ্ধার ভারতের দূর্বল জায়গায় আঘাত করবে বাংলাদেশের স্পিন অস্ত্র! মাদকাসক্ত হলেই সরকারি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রিকশা চালক শিশু স্বপ্না ডাক্তার হতে চায় ১১ বছরে ৩৩৯টি কলেজ সরকারিকরণ করা হয়েছে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বাংলাদেশ এখন অনন্য উচ্চতায় রোহিঙ্গাদের ফেরাতে মিয়ানমারকে বোঝানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান বৃদ্ধা মাকে সড়কে ফেলে গেলো সন্তান, ওসি দিলেন বুকে ঠাঁই জেনারেল আজিজ- একজন নিবেদিতপ্রাণ গলফার সেনাপ্রধান ‘প্রাণ-মিল্কভিটা-আড়ংসহ পাস্তুরিত সব দুধই মানহীন’ বঙ্গবন্ধু মেডিকেলে লিভার প্রতিস্থাপনে সফল অস্ত্রোপচার ২০৩০ সালের মধ্যে দারিদ্র্য শূন্যের কোটায় আসবে কালো সোনা সাদা করে হাজার কোটি টাকা পাচ্ছে সরকার মেয়াদোত্তীর্ণ ইনজেকশনে আপত্তি, নার্সকে পেটাল ফার্মেসির লোক ২৮ জুন বসবে পদ্মা সেতুর ১৪তম স্প্যান

বৃহস্পতিবার   ২৭ জুন ২০১৯   আষাঢ় ১৪ ১৪২৬   ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

কুমিল্লার ধ্বনি
২১

১১ মাস পানির নিচে, এরপর হঠাৎ ভেসে উঠে যে গ্রাম

প্রকাশিত: ১০ জুন ২০১৯  

ভারতের পশ্চিমের প্রদেশ গোয়া একটি গ্রাম বছরের ১১ মাস থাকে পানির নিচে। কিন্তু কারদি নামে গ্রামটি এক মাসের জন্য যখন পানির উপর ভেসে উঠে তখন সেখানকার বাসিন্দারা আবারো তাদের ভিটে মাটিতে ফিরে আসে আর উৎযাপন করে।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয় ১৯৮৬ সাল থেকেই এই গ্রামের বাসিন্দারা জানতেন যে গ্রামটির আর কোনো চিহ্ন থাকবে না। ওই সালেই প্রদেশটিতে প্রথম বাঁধ নির্মাণ করে এবং এর পরিণতিতে গ্রামটি সম্পূর্ণ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়।  কিন্তু প্রতিবছর মে মাসে পানি সরে গেলে দেখা যায় গ্রামটিতে কি কি রয়ে গেছে। 

কাদামাটি, গাছের গুড়ি, ক্ষয়প্রাপ্ত ঘরবাড়ি, ভেঙ্গে পড়া ধর্মীয় উপাসনালয়, গৃহস্থালির নানা জিনিস আর পরিত্যক্ত বিরান ভূমি। এইসব কিছু দেখতে পাওয়া যায় পানি সরে গেলে।

এই গ্রামের জমিতে ফলন বেশি হয় এমন কথা প্রচলন ছিল। তিন হাজার মানুষের বাস ছিল এখানে। ধান চাষ, আর গ্রামকে ঘিরে রাখতো নারকেল গাছ, ক্যাসুনাট, আম এবং কাঁঠাল গাছে। 

হিন্দু, মুসলমান এবং খ্রিষ্টান এই তিন ধর্মের মানুষ এখানে বসবাস করতো। কিন্তু দৃশ্যপট নাটকীয় ভাবে বদলে গেল যখন ১৯৬১ সালে গোয়া পর্তুগীজদের থেকে স্বাধীন হয়ে গেল। প্রথম মূখ্য মন্ত্রী গ্রামবাসীদের খবর দিলেন যে যদি প্রদেশের প্রথম এই বাঁধটি করা হয় তাহলে দক্ষিণ গোয়ার সবাই উপকৃত হবে।

এই গ্রামের সবাইকে পাশের গ্রামে সরিয়ে নেয়া হয় আর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় সেখানে অনেক সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে এটাও জানানো হয়। তাদের ভূমি এবং ক্ষতিপূরণ দেয়া হয় তবে এই বাঁধ থেকে পানি ওই গ্রাম পর্যন্ত পৌছায়নি যেখানে তাদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে।

তারপরেও কারদি'র বাসিন্দারা অপেক্ষায় থাকেন মে মাসের।

যখন পানি নেমে যায় তখন তারা তাদের হারিয়ে যাওয়া গ্রামে ফিরে যান, নিজের ঘরবাড়ি ধংসাবশেষ দেখেন, ভেঙ্গে পড়া প্রার্থণালয়ে প্রার্থনা করেন। আর স্মৃতিচারণ করেন।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি