ব্রেকিং:
কেরামতি দেখাতে কবরে নেমে মৃত্যুর হাত থেকে ফিরলেন পীর (ভিডিও) আবরার হত্যায় রুমমেট মিজান পাঁচ দিনের রিমান্ডে সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর ১ নভেম্বর থেকে ধরা খেয়ে ৫১ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন পুলিশ কর্মকর্তা মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ হলেন শিরিন আক্তার শিলা বিকাশের দোকানে ক্যাসিনো ব্যবসা, আটক ৫ সরকারি জমিতে বস্তি, নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি বিসিবির আশ্বাসে ক্রিকেটারদের আন্দোলন স্থগিত ক্যাসিনোকাণ্ড: দুই এমপিসহ ২২ জনের বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা রেমিট্যান্স আয়ে এগিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের প্রবাসীরা বিমান উড্ডয়নে যত্নবান হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ব্রাহ্মণপাড়ায় শিক্ষার্থীদের ওপর বহিরাগতদের হামলা ৪ কি. মি. জ্যামের নেপথ্যে.. এলাকাবাসীর হাতে ইয়াবা সম্রাট আটক পেঁয়াজের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে বিশেষ অভিযান সংস্কারের অভাবে সড়কের বেহাল দশা কোটি টাকা নিয়ে উধাও এনজিও! ইসলামের বিরুদ্ধে কটুক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি সেতুর অভাবে ভোগান্তিতে ২০ হাজার মানুষ পুলিশের সাথে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

বৃহস্পতিবার   ২৪ অক্টোবর ২০১৯   কার্তিক ৮ ১৪২৬   ২৪ সফর ১৪৪১

কুমিল্লার ধ্বনি
২১২৩

১১ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা নিয়ে পালিত হচ্ছে ‘শরণার্থী দিবস’

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯  

বিশ্বজুড়ে বাস্তুচ্যুত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, সঙ্গে বাড়ছে শরণার্থীর সংখ্যাও। তাদের অমানবিক অবস্থানের প্রতি আন্তর্জাতিক নেতৃবৃন্দের সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব শরণার্থী দিবস। প্রতিবছর ২০ জুন বিশ্বজুড়ে দিবসটি পালিত হয়। ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গা চাপ নিয়ে বাংলাদেশেও দিবসটি পালন হচ্ছে।

বর্তমানে বিশ্বে শরণার্থীর সংখ্যা প্রায় ছয় কোটি। এটি এযাবৎ কালের শরণার্থী সংখ্যার সর্বোচ্চ রেকর্ড। বাংলাদেশেও অবস্থানরত শরণার্থীর সংখ্যা কম নয়। শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার (আরআরআরসি) মোহাম্মদ আবুল কালাম বলেন, বাংলাদেশে ১১ লাখের বেশী রোহিঙ্গা শরণার্থী অবস্থান করছে।

বিশ্ব শরণার্থী দিবস সম্পর্কে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে অবস্থানরত বেশ কয়েকজন রোহিঙ্গার সঙ্গে কথা হয়। তারা কেউ দিবসটি সম্পর্কে জানেন না। তাদের কথায়, আমরা এই মুহূর্তে আমাদের দেশ রাখাইনে ফিরে যেতে চাই। এজন্য আমাদেরকে সেই সুযোগ সৃষ্টি করে দিতে হবে। নিপীড়নের শিকার হয়ে বাপ-দাদার ভিটেমাটি ছেড়ে শরণার্থী হয়েছি। জীবন ধারণের উপকরণসহ সব দিক দিয়ে সুখে থাকলেও মনটা পড়ে আছে রাখাইনে।

মোহাম্মদ আবুল কালাম আরো বলেন, শরণার্থী দিবস উপলক্ষে কয়েকটি রোহিঙ্গা শিবিরে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। এতে খেলাধুলা, র‌্যালি, আলোচনাসভা ও রোহিঙ্গাদের জীবনে চিত্রপ্রর্দশন করা হবে।

১৯৭৮ সাল থেকে নানা কারণে-অকারণে দলে দলে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে রোহিঙ্গারা। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবর ও ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের ভয়াবহ আগমন ঘটে। রাখাইনে সহিংস ঘটনায় প্রাণবাঁচাতে পালিয়ে আসে সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা। নতুন-পুরাতন মিলিয়ে ১১ লাখ ১৮ হাজার ৫৫৭জন রোহিঙ্গা কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফের ৩২টি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আশ্রয় নিয়ে সব ধরণের সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে।

এদিকে ‘২০১৮ সালে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুতির বৈশ্বিক প্রবণতা’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে জাতিসংঘ শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৮ সাল শেষে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২০ হাজার ৮৮৮ জন শরণার্থীর উৎস দেশ বাংলাদেশ। এর বাইরে ‘শরণার্থীর মতো পরিস্থিতি’তে আছে বাংলাদেশের আরো ১৪৮ জন। একজন বাংলাদেশিও ‘শরণার্থী’ মর্যাদা ছেড়ে নিজ দেশে ফিরে আসেনি।

২০০০ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে ৫৫/৭৬ ভোটে অনুমোদিত হয় যে, ২০০১ সালে থেকে জুন মাসের ২০ তারিখ আন্তর্জাতিক শরণার্থী দিবস হিসেবে পালন করা হবে। এ কারণে এ দিনটি বাছাই করা হয় যে, ১৯৫১ সালে অনুষ্ঠিত শরণার্থীদের অবস্থান নির্ণয় বিষয়ক একটি কনভেনশনের ৫০ বছর পূর্তি হয় ২০০১ সালে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লার ধ্বনি
এই বিভাগের আরো খবর