ব্রেকিং:
বৈশ্বিক সঙ্কটে নারীদের সুরক্ষা মতিঝিলে হবে ২৫ তলাবিশিষ্ট বঙ্গবন্ধু চা ভবন অতিরিক্ত ২ মাসের বেতন পাচ্ছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে পশু কোরবানির ব্যবস্থা করা হবে দেশের ৬৬০ ওসিকে কঠোর বার্তা ৪ হাসপাতালের তথ্য তলব দুদকের ১৪ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে ‘কালো তালিকাভুক্ত’ ৩১ বছর পর এবার কাঁচা চামড়া রপ্তানি! ক`জন সমালোচক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন? সাহারা খাতুনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শোক দুর্নীতিবাজ যেই হোক ব্যবস্থা নিচ্ছি ড্রেজার মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা মাদ্রাসা ছাত্রীর আত্মহত্যা প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ১৩ লক্ষাধিক টাকার চেক বিতরণ গণধর্ষণের সংবাদ প্রকাশ করায় চান্দিনায় ২ সাংবাদিককে মারধর ‘পোশাক শ্রমিকদের ৮৪ কোটি টাকার সহায়তা দেয়া হয়েছে’ করোনা মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের ৭ মিলিয়ন ডলারের খাদ্য সহায়তা পাপুল কুয়েতের নাগরিক হলে সংসদ সদস্য পদ থাকবে না: প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার্থীদের বকেয়া উপবৃত্তির টাকা ছাড় মানব পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান সরকারের :প্রধানমন্ত্রী
  • শুক্রবার   ১০ জুলাই ২০২০ ||

  • আষাঢ় ২৬ ১৪২৭

  • || ১৮ জ্বিলকদ ১৪৪১

২১২

২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সার্বিক দারিদ্র্যের হার হবে শূণ্য !!!

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২২ ডিসেম্বর ২০১৮  

২০০৭-০৮ সালে বৈশ্বিক মন্দা, অর্থনৈতিক শ্লথ ও সংকট পরবর্তী একটি কঠিন সময়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠন করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। বিগত সময়ে বিএনপি-জামাত জোটের দুঃশাসন এবং ১/১১ সরকারের জোরজবরদস্তি ও অবিমৃশ্যকারী পদক্ষেপের ফলে সৃষ্ট অর্থনৈতিক বন্ধ্যাত্ব এবং দুই মেয়াদে ১০ বছর বিভিন্ন প্রতিকুলতাকে মোকাবিলা করে বর্তমানে উন্নয়নের ক্ষেত্রে যে সাফল্য ও অর্জন করেছে, তা দেশের ইতিহাসে অনন্য এবং আন্তর্জাতিক বিশ্বে অনুকরণীয় উদাহরণ সৃষ্টি করেছে। সামষ্টিক অর্থনীতিতে এই ধারাকে অগ্রসর করে নেয়াই আগামী দিনগুলোর চ্যালেঞ্জ। আর এই বিষয়গুলো মাথায় রেখেই উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে যুগোপযোগী কৌশল দাঁড় করিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। আমাদের এবারের ইশতহারেই রয়েছে এ বিশদ পরিকল্পনা। তরুণদের কাজে লাগিয়ে দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে নতুন শিল্পের বাজার তৈরি, ও দক্ষ জনবল তৈরির ক্ষেত্রে মনোযোগী বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ। গরীব, অসচ্ছল মানুষদের সচ্ছলতা এনে দিতে স্বাধীনতাকালীন সময় থেকেই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বদ্ধ পরিকর। আগামী ৫ বছরে দারিদ্র্য বিমোচনে চলমান সকল পরিকল্পনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি এগুলোকে আরো বড় পরিসরে নিয়ে আসার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে আওয়ামী লীগ যাতে করে ২০২০ সালের মধ্যে দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৯ শতাংশে নেমে আসে। পাশাপাশি কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির আধুনিকায়ন ও ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের সম্প্রসারনেও নতুন পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই পরিকল্পনা অনুযায়ী ২০৩০ সালে বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় হবে ৫৪৭৯ ডলারেরও বেশি। এই পরিকল্পনায় ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সার্বিক দারিদ্র্যের হার শূণ্য শতাংশে নামিয়ে আনার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে।মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল আজ তার নির্বাচনী এলাকা কুমিল্লা-১০ (সদর দক্ষিণ, লালমাই ও নাঙ্গলকোট) এর মধ্যম বিজয়পুর, রতনপুর ও পিপুলিয়া এলাকায় পথসভায় এসব কথা বলেন।

 

 মাননীয়মন্ত্রী আরো বলেন, বেসরকারি খাতে নতুন মূলধন সৃষ্টির হার বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কৌশল ও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ২০৪১ সালের মধ্যে বিনিয়োগের হার জিডিপি’র ৪০ শতাংশে উন্নীত করতে হবে। পর্যাপ্ত অবকাঠামো সেবা সরবরাহ করার মাধ্যমে রপ্তানি বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো হবে। পুঁজি বাজারের সম্প্রসারণ ও গভীরতা এবং পুঁজি পণ্য সরবরাহ ও বৈচিত্র্য আরো বাড়ানো হবে। ইতোমধ্যে চীনা কনসর্টিয়াম ঢাকা পুঁজি বাজারে কৌশলগত বিনিয়োগ করেছে। দেশব্যাপী বিনিয়োগ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করে পুঁজি বাজারে বিনিয়োগ সম্পর্কে সচেতনতা সৃষ্টি করা হবে। এছাড়া রপ্তানি আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি এবং নতুন বাজার প্রতিষ্ঠা করা হবে এবং রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য খাতভিত্তিক সমস্যাবলি সমাধানের পদক্ষেপ নেয়া হবে।

 

শিল্প উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে মাননীয়মন্ত্রী বলেন,উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বির্নিমাণে শিল্পায়নের গুরুত্ব খুবই বেশি। দেশে প্রতি বছর বিপুল সংখ্যক শিক্ষিত তরুণ-যুব সমাজের জন্য কর্মসংস্থান ও কাজের উৎস সৃষ্টি করা প্রয়োজন। এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়ে সরকার বিপুল শ্রমশক্তি কাজে লাগাতে শ্রমঘন ক্ষুদ্র ও মাঝারী শিল্পভিত্তিক শিল্প উন্নয়ন কৌশলের উপর জোর দিয়ে যাচ্ছে। সেই সাথে গুরুত্ব পাচ্ছে ভারী ও মৌলিক শিল্প- যে শিল্পকে ভিত্তি করে বহুমাত্রিক সংযোজন শিল্প গড়ে উঠবে। ব্যবসাবান্ধব শিল্পবান্ধব এবং প্রো্প্রাইভেট সেক্টর প্রাইভেট সেক্টরের চালিকা শক্তি হিসাবে কাজ করবে। তাদেরকে প্রয়োজনীয় সকল সুযোগ সুবিধা প্রদানকরা হবে। তাদের হাত ধরেই আমারা উন্নয়নের লক্ষ্যমাত্রা স্পর্শ করব এবং এর মাঝ দিয়ে দারিদ্র বিমোচন করতে সক্ষম হবো। সামাজিক নিরাপত্তা বলয় আরো বেশী দৃঢ় হবে।তরুন সমাজের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হবে।

কুমিল্লার ধ্বনি
কুমিল্লা বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর