ব্রেকিং:
নজরুলের গান আবৃত্তি করে দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার পেল দুই শতাধিক পথশিশু ‘করোনার শুরু থেকেই ত্রাণ কার্যক্রম চালাচ্ছেন সংসদ সদস্যরা’ মোবাইল অ্যাপ ও হটলাইনে সাংসদ আসলামুল হকের অভিনব খাদ্য সহায়তা জাতীয় কবির ১২১তম জন্মদিন আজ বাঙ্গালির ঈদ উৎসবে ‘রমজানের ওই রোজার শেষে’র আগমন কিভাবে? দেশবাসীকে আওয়ামী লীগের ঈদ শুভেচ্ছা করোনাকালের ৫৬ দিনে ৩ লাখ ১৯ হাজার কনটেইনার হ্যান্ডলিং ক্ষতিগ্রস্ত বেড়িবাঁধ মেরামতের কাজ শুরু করেছে সেনাবাহিনী ২৮০ ট্রান্সজেন্ডার ও হিজড়াকে ঈদ সামগ্রী প্রদান করেছে বন্ধু দুর্দিনে বারো হাজার মানুষকে খাদ্য সামগ্রী দিলো এসএসসি ২০০০ ব্যাচ আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত ৬হাজার পরিবারকে ৩কোটি টাকা সহায়তাদেবে ব্র্যাক শেখ হাসিনাকে ঈদের শুভেচ্ছা জানালেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ঈদ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রেখেছে সরকার দেশে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৮৭৩, মৃত্যু ২০ মুসল্লিদের সুবিধার্থে মসজিদে সর্বাধিক ঈদের জামাতের আয়োজন করোনা রোগীর চিকিৎসায় ৩ হাজার পদ সৃষ্টি নগদ সহায়তা পাবে ৪৮ লাখ প্রান্তিক উদ্যোক্তা ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা উপকূলবাসীদের
  • মঙ্গলবার   ২৬ মে ২০২০ ||

  • জ্যৈষ্ঠ ১২ ১৪২৭

  • || ০২ শাওয়াল ১৪৪১

২৮১

৩৯ বছর বয়সে ৪৪ সন্তানের জন্ম দিলেন এই নারী

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৪ মে ২০১৯  

বয়স মাত্র ৩৯, তবে এর মধ্যেই ৪৪ সন্তানের জন্ম দিয়ে বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন উগান্ডার নারী ম্যারিয়ন নাবাতানজি। ফলে তাকে উগান্ডায় গর্ভধারণে সবচেয়ে সক্ষম নারীর খেতাব দিয়েছেন দেশটির চিকিৎসকরা। 

তিনি একসঙ্গে চার সন্তান, চারবার একসঙ্গে তিন সন্তান এবং ছয়বার যমজের জন্ম দিয়েছেন। এছাড়া একসঙ্গে পাঁচ সন্তানের জন্ম দিয়েছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে তিনবার।

বৃটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মিরর জানায়, মাত্র ১২ বছর বয়সে বিয়ে হয় ম্যারিয়নের। তখন তার স্বামীর বয়স ছিল ৪০ বছর। বিয়ের এক বছরের মাথায় যমজ সন্তানের জন্ম দেন তিনি। এরপর থেকে ম্যারিয়নের ২৩ বছর বয়স পর্যন্ত একে একে তার ঘরে আসে ২৫ সন্তান।  

আড়াই বছর আগে ম্যারিয়ন শেষ সন্তান প্রসব করেন। এ সময়ও তিনি জন্ম দেন যমজ। তবে প্রস্রবের জটিলতার কারণে তার এক সন্তানের মৃত্যু হয়। 

ম্যারিয়ন জানান, আমি ছয় সন্তানের মা হতে চেয়েছিলাম। কিন্তু আমি চারবার মা হই এবং প্রত্যেকবারই যমজ সন্তানের জন্ম দিই। তবে আট সন্তান আমার চাওয়ার চেয়েও বেশি ছিল। তাই আমি হাসপাতালে গিয়ে ডাক্তারকে বলি, তিনি যেন আমার সন্তান জন্ম দেওয়া বন্ধ করে দেন। আমি জন্মনিরোধক ব্যবহারেরও চেষ্টা করেছি, কিন্তু সেগুলো কাজ করেনি। উল্টো ডাক্তারি পরীক্ষায় আমার হাইপাররোভ্যুলেশন নামে বিরল এক শারীরিক অবস্থা ধরে পড়ে। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে আক্রান্ত নারী যখনই মা হবেন তখন তিনি যমজ, তিন বা চারটি সন্তানের জন্ম দেবেন। 

তিনি আরো জানান, শেষ সন্তানের জন্মের পরই তার স্বামী তাকে ছেড়ে চলে যান। তখন থেকেই তার অনেক কষ্টে দিন কাটছে। সন্তানদের মুখে খাবার তুলে দিতে করতে হয়েছে বিভিন্ন ধরনের কাজ। তার বড় ছেলের নাম ইভান কিবুকা (২৩)। ছোট ছোট ভাই-বোনের মুখে খাবার জোটাতে তারও ছাড়তে হয়েছে পড়ালেখা, আর যোগ দিয়েছেন পরিবারের জন্য অর্থ উপার্জনে।    

দেখুন ভিডিও>>> 

কুমিল্লার ধ্বনি
আন্তর্জাতিক বিভাগের পাঠকপ্রিয় খবর