ব্রেকিং:
সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় বাড়িছাড়া বৃদ্ধ বাবা ৪৪তম বিসিএস আবেদনের সময় বাড়ল পুলিশের সেবা প্রার্থীরা যেন হয়রানির শিকার না হয়: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এলে ধর্মকে ব্যবহার করে বিএনপি: তথ্যমন্ত্রী পাঁচ বাঙালির নামে ব্রিটেনে পাঁচটি ভবনের নামকরণ নাহিদের বোলিংয়ে বরিশালকে বড় ব্যবধানো হারালো কুমিল্লা পরকীয়ার জেরে স্বামীর ‘বিশেষ অঙ্গ’ কেটে নিয়ে পালালেন স্ত্রী অনশন ভাঙতে সমস্বরে অনুরোধ করলেন অনশনকারীদের দুই জেলার অর্থনৈতিক ভাগ্যবদলের প্রকল্প ৩০০ গজ যাওয়ার পর দেখল ট্রেনের বগি নেই আমরণ অনশন ভাঙছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা! ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আরো ৭৫ জন করোনায় আক্রান্ত ইউরোপ যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ৭ বাংলাদেশির মৃত্যু কাস্টমস কর্তৃপক্ষের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান রাজস্ব আহরণ ছাড়াও সন্ত্রাস দমনে কাজ করছে কাস্টম: এনবিআর কৃষির উন্নয়নে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে ডেনমার্ক পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলার অবৈধ ইটভাটা বন্ধের নির্দেশ ইভ্যালির সম্পত্তি: স্বনামধন্য ফার্ম দিয়ে অডিট করতে নির্দেশ ফেনীতে মাদক মামলায় দুই নারীর যাবজ্জীবন শাবিপ্রবির ৫ শিক্ষার্থী আটক
  • মঙ্গলবার   ২৫ জানুয়ারি ২০২২ ||

  • মাঘ ১৩ ১৪২৮

  • || ২১ জমাদিউস সানি ১৪৪৩

শীতকালে কেন এত বিয়ে হয়

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ২৯ নভেম্বর ২০২১  

শীতকাল এলেই বিয়ের ধুম পড়ে যায়। শীতকে যেন বিয়ের মৌসুম বললেও ভুল হবে না। কেননা বছরের যেকোন সময়ের তুলনায় শীতকালে বিয়ে বেশিই হয়ে থাকে। কিন্তু কখনো কি ভেবে দেখেছেন শীতকালেই কেনো এত মানুষ বিয়ে করেন? এর উত্তর খুঁজতে গেলে নানা মুন্সির নানা মত চলে আসে। তবে সেসব তর্ক বা বিতর্কে না গিয়ে শীতে বিয়ে করার সুবিধাগুলোই না হয় জেনে নেয়া যাক।

শীতকালের সঙ্গে বাঙালির উৎসবের একটা সম্পর্ক আছে। শীতে ধান কাটা হয়। আর সবাই চায় ঘরের নতুন অতিথিকে (বর হোক কনে) নতুনভাবে স্বাগতম জানাবেন। আর এ কারণেই গ্রাম বাংলাতে এখনো নতুন বউ বা জামাইকে ঘরের নতুন ধানের চাল দিয়ে রান্না করা বিভিন্ন পদের খাবার দিয়ে আপ্যায়ন করা হয়।

শুধু এখানেই যে শেষ তা কিন্তু নয়। শীতকাল বছরের শেষে আসে। আর বছর শেষের কারণে এ সময় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রায় সমস্ত প্রতিষ্ঠানেই একটা বার্ষিক ছুটি চলে। তাই আত্মীয়স্বজনরা যেখানে আছেন সবাই একসঙ্গে মিলিত হতে পারে। বিয়ের মতো একটা বড় আয়োজনের জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যায়। 

এতো গেলো আয়োজন এবং অতিথি কিংবা আপ্যায়নের কথা। এছাড়াও বিতে মেকআপ থেকে শুরু করে খাওয়া দাওয়ারও একটা ব্োপার থাকে। আর শীতকালে যা স্বস্তিতেই করা যায়। 

বিয়ের আয়োজনে কনেকে সবচেয়ে সুন্দর দেখানো চাই। তাই সব মেয়েই বউ সাজার জন্য পছন্দ করেন শীতকাল। কারণ গরমকাল হলে তাপমাত্রার কারণে ঘামে সেই বউ সাজটা নষ্ট হয়ে যেতে পারে। শীতকালে সেই ভয় নেই। দিব্যি ইচ্ছেমতো বউ সাজার স্বাধীনতা পাওয়া যায়। 

বিয়ে মানেই খাটা-খাটুনি। গরমে একটু পরিশ্রমেই হাঁপিয়ে উঠতে হয়। পাশাপাশি থাকে ঘামের দুর্গন্ধ। এবাড়ি ওবাড়িতে দৌড়াদৌড়ির করতে হয় সবারই। আর সেখান থেকে যদি আসে ঘামের গন্ধ তাহলে তো ‘পেস্টিজের ফালুদা’। কিন্তু শীতকালে সেই ভয়টা একদমই থাকে না। 

বিয়ে হবে আর ফুল থাকবে তা হয় নাকি? আর শীতকাল হলো ফুলের মৌসুম এবং এই সময় ফুলও বেশিক্ষণ তাজা থাকে। গায়েহলুদে গাঁদা, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, জারবেরা—এগুলো তো লিস্টের একেবারে প্রথম দিকে জায়গা দখল করে থাকে। এছাড়া কনের সাজে গোলাপ থাকতে সেটা তো হয় না। শীতকালে এই ফুলের দামটাও কম। পাশাপাশি জারবেরা, গ্ল্যাডিওলাস, অর্কিড, অ্যাস্টার, ডেইজি, কসমস, সিলভিয়া, সূর্যমুখী, ক্যালেন্ডুলারাও দেখা দেয় গোলাপ, গাঁদা, বেলিদের আশপাশেই। কারণ এই সময়ে এ ফুলগুলো যেন নিজেদের সৌন্দর্য্য মেলে ধরে। 

শীতকালে দিন ছোট। ফ্যান বা এসির ঝামেলা নেই। বিদ্যুৎ খরচ কম হয়। অল্প সময়ে স্বল্প আয়োজনে বিয়ের উৎসবের ব্যবস্থা করে ফেলা যায়। আবার বিয়ের যে খাবার থেকে যায়, সেটিও নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা কম। বিয়ের পরই আসে হানিমুন। আর হানিমুনের ঘোরাঘুরির জন্যও শীতকাল সেরা। সে হোক সমুদ্র, পাহাড় বা সমতল!