ব্রেকিং:
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় নির্বাচন হবে: ওবায়দুল কাদের রেলের ভাড়া সমন্বয় শিগগিরই: রেলমন্ত্রী সংকট নিরসনে জ্বালানি তেল আমদানিতে আগ্রহ বিশ্ববাজারে আরো কমল জ্বালানি তেলের দাম বিদ্যুৎ-জ্বালানি তেল-গ্যাস ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জ্বালানি তেলের দাম পুনরায় সমন্বয় করা হবে মাসখানেক পরই লোডশেডিং ঠিক হয়ে যাবে: পরিকল্পনামন্ত্রী পেঁয়ারা গাছের ডাল কাটাতে গিয়ে নিথর হলো ইফরাত নোয়াখালীতে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা গ্রেফতার আওয়ামী লীগ বিএনপির ওপর কোনো অত্যাচার করেনি: তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশকে আরো ১৫ লাখ টিকা দিলো যুক্তরাষ্ট্র মালয়েশিয়া পৌঁছেছে ৫৩ বাংলাদেশি কর্মীর প্রথম ফ্লাইট কুমিল্লায় পৃথক দুটি স্থানে পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু ফেনীতে ৩০ লাখ টাকার ইয়াবাসহ যুবক আটক নোবিপ্রবির প্রথম নারী অধ্যাপক ড. নাহিদ আক্তার নোয়াখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৪ পরিবারের পাশে এমপি একরাম বৃদ্ধের ব্যাগে মিললো ৪০ লিটার চোলাই মদ মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি, নোয়াখালীতে দুই ফার্মেসিকে জরিমানা ট্রাক মালিকদের ধর্মঘট প্রত্যাহার, ধান পরিবহনে বাড়লো ভাড়া ফেনীতে রেলের ডিজেল চুরি, আসামির স্বীকারোক্তি
  • বুধবার   ১০ আগস্ট ২০২২ ||

  • শ্রাবণ ২৬ ১৪২৯

  • || ১১ মুহররম ১৪৪৪

শিক্ষক থেকে শীর্ষ ৫০ দুর্নীতিবাজ : ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন !!!

কুমিল্লার ধ্বনি

প্রকাশিত: ১৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

।। মেজর  মোহাম্মদ আলী সুমন (অবঃ) ।।

আমি সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীনতার স্থপতি ও ঘোষক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর আদর্শ লালনকারী, বঙ্গবন্ধু-কন্যা, দেশরত্ম, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে, বিশ্ব ব্যাংককে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে, সকল চ্যালেন্জ গ্রহণ করে, দেশীয় অর্থায়নে “পদ্মা সেতু” নির্মাণকারী রাষ্ট্র নায়ক,ত্রিমাত্রিক সশস্ত্র বাহিনী গঠনের অগ্রদূত, সমগ্র দেশে নারী ক্ষমতায়ন তথা সশস্ত্র বাহিনীতে নারীদের যোগদান, সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক এবং শক্তিশালী করার লক্ষে সেনাবাহিনীতে অনেকগুলো নতুন ডিভিশন, ব্রিগেড ও ইউনিট গঠন, নতুন ট্যাংক ক্রয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর স্বপ্ন- সাবমেরিন সংযোজন, বিমান বাহিনীর স্বপ্ন- মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান সংযুক্ত করা,  সশস্ত্র বাহিনীর অফিসার ও সদস্যদের দীর্ঘ দিনের দাবী আবাসন সমস্যা সমাধানে ব্যবস্থা গ্রহণকারী সেনা নায়ক, জিরো টলারেন্স নীতি এবং জঙ্গি গোষ্ঠীর আতংক, দুনিয়ার মহাশক্তিধর রাষ্ট্রশক্তির হুমকি-ধমকি উপেক্ষাকারী নেতা, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বাতিল করে বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা, স্বাধীনতার স্থপতি ও ঘোষক জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো রাষ্ট্র নায়ক, যুদ্ধপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো এবং রায় বাস্তবায়নকারী নেতা,পরিবর্তনের অগ্রদূত, বাংলাদেশের রাজনীতিতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী, অপ্রতিরোধ্য এক জীবন্ত কিংবদন্তি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপর সম্পূর্ণ আস্থা রেখে, ডিজিটাল বাংলাদেশের রূপকার এবং তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক জনাব সজিব ওয়াজেদ জয় ভাইয়ের অনুসরনকারী, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একান্ত আস্থাভাজন, ৩৫ বৎসর পর খুনি মোস্তাকের এলাকায় নৌকা পুনঃ উদ্ধারকারী, ৩৫ বৎসর পর দাউদকান্দি-মেঘনা আওয়ামী লীগের প্রাণ, দাউদকান্দি-মেঘনায় “জয় বাংলা” শ্লোগান পুনঃ প্রতিষ্ঠাকারী, অসহায়,গরীব-দুঃখী মানুষের অভিভাবক, নেতা-কর্মিদের শেষ আশ্রয় স্থল, বিএনপি-জামাত সরকারের সময় হামলা/মামলার শিকার, দাউদকান্দি-মেঘনার উন্নয়নের রুপকার, বীর মুক্তিযোদ্ধা, দু’বারের সংসদ সদস্য মেজর জেনারেল(অব.) সুবিদ আলী ভূইয়ার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং শেখ হাসিনার উন্নয়ন বাস্তবায়নে আওয়ামী লীগের একজন সাধারন কর্মী হিসেবে নিয়োজিত আছি।

আজকে মেজর জেনারেল(অব.) সুবিদ আলী ভূইয়ার মহানুভবতার কারনে গত ৯ বছর আরামে ঘুমিয়েছেন/এখনোও ঘুমাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও  ঘুমাবেন। কোন রকম রাজনৈতিক হামলা/মামলার স্বীকার হন নাই। সুন্দর মত নিজ ব্যবসা-বানিজ্য করে যাচ্ছেন। জেনারেল ভূইয়া এবং তার নেতা/ কর্মীর মতো অনিশ্চিত ফেরারী জীবনযাপন করতে হয় নাই/ হচ্ছে না।

তবে, কতদিন এই ভাবে “আরাম” করবেন? সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে, মানুষ পুড়িয়ে, সরকারের উন্নয়নে বাঁধা দিয়ে, জিয়াফত-জানাজা নামাজের উছিলায় মোটর সাইকেল-মাইক্রোবাসের শোডাউন করে, হত্যার উদেশ্যে ২১ আগস্ট শেখ হাসিনার উপর গ্রেনেড হামলাকে ( ২৪জন নিহত ও শতাধিক আহত) একটি দুর্ঘটনা, কান্নাকাটির কিছু করার নেই বলে কুটুক্তি করেছেন। কূটনৈতিক ব্যর্থতায় রোহিঙ্গা সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করেছে বলে মিথ্যা রাজনৈতিক বক্ত্যব দিয়ে জাতিকে বিভ্রান্ত করেছেন। সরকারের ইশারায় পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার বাড়ানো-কমানো হচ্ছে বলে মিথ্যা কথা বলেছেন। সরকার সাবধান না হলে অভ্যুত্থানের হুমকি দিয়েছেন। সাধারন জনগনের প্রশ্ন একটাই, “আরাম” আর কতদিন করবেন?

ভাই, আপনারা এখনও কেন দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলায় বিএনপি সমর্থন করেন? আমি বুঝি না!

আপনি কেন  বঙ্গবন্ধু আদর্শ লালন করবেন। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী হবেন এবং শেখ হাসিনার উন্নয়নের প্রতি আস্থা  রেখে বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূইয়ার নেতৃত্বে দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলায় আওয়ামী লীগ করবেন বা আওয়ামী লীগে ভোট দিবেন, তার ১০১টি কারন আপনাকে দিব।

# আজকে আপনাকে শুধু এতটুকু বলবো, দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলার শক্তিশালী/ প্রভাবশালী এবং সমাজে গ্রহনযোগ্য বিএনপি থেকে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি এবং সিনিয়র নেতৃবৃন্দের ৫০% মেজর জেনারেল(অব.) সুবিদ আলী ভূইয়ার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। অতি শীঘ্রই দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলার বিএনপির ইতিহাসে “ঐতিহাসিক চমক” দেখতে পাবেন। Surprise Coming Soon……..

বিএনপি-জামাত ক্ষমতায় থাকার সময় ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ভূ-তত্ত্ব বিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ, রাজনীতিবিদ, সমাজসেবক, দেশের ৫০জন শীর্ষ দুর্নীতিবাজের মধ্যে অন্যতম- (লন্ডনে বাড়ি / বিপুল অর্থ-সম্পদের মালিক, শিক্ষক থেকে কোটিপতি, বিদেশে অর্থপাচারের মামলা রায়ের অপেক্ষায়) বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং সাবেক মন্ত্রী মহোদয়ের অত্যাচার / নির্যাতনের স্বীকার :-

সুবিদ আলী ভূইয়ার মত একজন অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ২০০৩ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত নিন্ম লিখিত নির্যাতন করেন:-

১।  মোট – ১৬টি ব্যক্তিগত মামলা(বোমা হামলা সহ)।

২।  সুবিদ আলী ভূইয়ার কর্মীদের মামলার হিসাব নাই। তখন বাড়িতে কেউ ঘুমাতে পারত না।

৩। জুরানপুর গ্রামে উনার বাড়িতে হামলা।

৪। উনার গাড়ীতে হামলা।

৫। জুরানপুর গ্রামের প্রতিটি মানুষের নামে মামলা। মুক্তার চেয়ারম্যান/ভুলু/মান্নান/ মুনির ভূইয়া/ইকবাল ভূইয়া

সহ আরো অনেককে “Interrogation Cell”  এ নিয়ে, অমানবিক নির্যাতন। এমনকি এতিমখানার কুক ও মামলা থেকে নিস্তার পায় নাই।

৬। সন্ত্রাসী দিয়ে পুকুরের মাছ / গরু নিয়ে যাওয়া।

৭। এবং সর্বশেষে, সুবিদ আলী ভূইয়ার নিজস্ব অর্থায়নে নিজ গ্রাম জুরানপুরে ১৯৬৯ সন থেকে অনেক কষ্ট/ত্যাগ স্বীকার করে তিলে তিলে গড়ে তোলা  স্কুল/ কলেজ/মাদ্রসা/ এতিমখানা সহ সকল প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছিল। বিশ্বাস না হলে, ঐ সময়ের শিক্ষার্থীদের জিজ্ঞেস করলে, এখনও দলমত নির্বিশেষে সাক্ষী দিবে।

# ড. খন্দকার মোশাররফ স্যার বিদ্যুৎ মন্ত্রী ছিলেন। তিনি চাইলেই কি, দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলায় ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ দিতে পারতেন না?

উনার নিজ গ্রাম গয়েশপুরে বিদ্যুৎ পৌছে দিয়েছেন জেনারেল ভূইয়া, এমপি। জেনারেল ভূইয়া যখন বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ছিলেন, তখন এ কাজটি করেছেন।

এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে মেঘনা উপজেলার প্রতিটি ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে যাবে; আর আগামী বছরের জুনের মধ্যে দাউদকান্দির একটি বাড়িও বিদুৎবিহীন থাকবেনা।

বিএনপি-জামাতের সময় দাউদকান্দি-মেঘনার মানুষ বিদ্যুৎ মন্ত্রী পেয়ে ছিল, কিন্তু বিদ্যুৎ পায় নাই!!

আর ৩৫ বৎসর পর শেখ হাসিনার সঠিক সিদ্ধান্তের কারনে জেনারেল ভূইয়ার নেতৃত্বে দাউদকান্দি-মেঘনার মানুষ মন্ত্রী ছাড়াই, বিদুতের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির “সভাপতি” দিয়েই “ ঘরে ঘরে” বিদ্যুৎ পেয়েছেন/পাচ্ছেন। এমন কি মসজিদেও আপনারা তা ব্যবহার করছেন।

# ড. খন্দকার মোশাররফ স্যার স্বাস্থ্য মন্ত্রী ছিলেন। কি স্বাস্থ্য সেবা দিয়ে ছিলেন দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলার জনগনকে? এখন, জেনারেল ভূইয়ার সময় গৌরিপুর স্বাস্থ্য কেন্দ্র “সেবা দিয়ে”  বাংলাদেশে ১ম এবং চট্টগাম বিভাগে অধিকাংশ সময় ১ম হয়ে আসছে। প্রতিটি ইউনিয়নে “কমিউনিটি ক্লিনিকের” মাধ্যমে সেবা দেয়া হচ্ছে।

# জেনারেল ভূইয়া, এমপি হবার পর- ড. খন্দকার মোশাররফ স্যার এবং ওনার ছেলের নামে কয়টা মামলা দিয়েছেন? একটিও না।

# এই দীর্ঘ ৯ বছরে জেনারেল ভূইয়া কতজন বিএনপির নেতা/কর্মী/সমর্থকের নামে মামলা দিয়েছেন অথবা আওয়ামী লীগ নেতা/কর্মী দ্বারা হামলার স্বীকার হয়েছেন?

#  ১৯ মে ২০১৭, দাউদকান্দিতে দুর্বৃত্তদের হামলার কবলে পড়েছিল ড: খন্দকার মোশাররফ হোসেনের গাড়িবহর। সুবিদ আলী ভূঁইয়া ঘটনাস্থলে গিয়ে খন্দকার মোশাররফকে উদ্ধার করেন।

# জেনারেল ভূইয়ার এই দীর্ঘ ৯ বৎসরে ড. খন্দকার মোশাররফের কয়টা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়েছে?

#  ড. খন্দকার মোশাররফ, প্রথমবারের মত এমপি/ মন্ত্রী হবার সময় কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উনার নামে ছিল না বা নির্মান করেন নাই। পরবর্তীতে জেনারেল ভূইয়ার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সুনাম দেখে ঈর্ষান্বিত হয়ে, ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে, দাউদকান্দির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে- নিজ নাম এবং স্ত্রীর নামে করেছেন। হায়রে কপাল, সাধারন জনগন মনে করেন , উনি নির্মান করেছেন!

# এখানে উল্লেখ্য যে, সুবিদ আলী ভূঁইয়া নিজের নামে একটি প্রতিষ্ঠানও নির্মান করেন নাই এবং এমপি হবার পূর্বেই নির্মান করেছিলেন। রাজনীতির সুনামের জন্য বা প্রচারের জন্য করেন নাই। জনগনের কল্যানের জন্য নিজ গ্রামে করেছেন।

# আরে ভাই , নিজের কথা বলা ঠিক না,

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন কলেজে আমি নিজের বেতন থেকে কতজন শিক্ষার্থীকে কত বৎসর যাবত বৃত্তি দিয়েছি? ঈড়সঢ়ঁঃবৎ এবং অন্যান্য সরকারী সুযোগ সুবিধা কি পেয়েছেন? চৎরহপরঢ়ধষ ঝরৎ কে জিজ্ঞাস করলেই জানতে পারবেন।

# ড. খন্দকার মোশাররফের নামে নৈয়ার এবং আমেনা হাই স্কুল কাবাডিতে ভাল রেজাল্ট করার জন্য , কি সহায়তা করেছি? তাদের কেই জিজ্ঞাস করেন।

# এখন ও দেখি বিএনপির নেতা/কর্মীরা আওয়ামী দালালদের সাথে আতাত করে বাজারে ভালই ব্যবসা-বানিজ্য করতেছেন।

# জেনারেল ভূইয়ার বিদুৎ দিয়ে বিএনপির নেতা/কর্মীরা আরামে  অায়াসে বাসায় ঘুমায়। বিএনপির সময়, আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীরা এলাকা ছাড়া এবং এখন স্বপ্ন দেখে, “আবার ক্ষমতায় এসে, এবার মেজর(অব.) মোহাম্মদ আলীকে ১৬টি মামলা দিচ্ছেন।”

স্যার, আপনি ছাএ জীবন থেকে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর আদর্শের রাজনীতি লালন করে আপনি বাংলাদেশ ছাএ লীগ থেকে ১৯৬৪-৬৫ শিক্ষাবর্ষে ঢাবি’র সলিমুল্লাহ মুসলিম হলের এ.জি.এস ও ১৯৬৭-৬৮ শিক্ষাবর্ষে হাজী মুহাম্মদ মহসিন হলের ভি.পি নির্বাচিত হবার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ব বিভাগের শিক্ষক থাকা অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী খুনি জিয়ার আহবানে ক্যান্টনমেন্টে সৃষ্ট দল “বিএনপি”তে  আপনি কিভাবে যোগ দিয়েিছেলন। আজকের তরুণরা আপনার কাছে জানতে চায়?

নতুন প্রজন্মের মনে প্রশ্ন, একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাজনীতিতে যোগ দিয়ে কিভাবে বাংলাদেশের ৫০জন শীর্ষ দুর্নীতিবাজের মধ্যে অন্যতম হলেন?

তার মানে কি? রাজনীতিতে যোগ দিলেই কি দুর্নীতি করা যায় এবং পুঁজি ছাড়াই তাড়াতাড়ি সহজে “বড়লোক/কোটিপতি” হওয়া যায়?

আমি ক্যাডেট কলেজে পড়াশুনা এবং সেনাবাহিনী থেকে অবসর গ্রহণ করে রাজনীতি করতে এসেছি । আমার এলাকার অবহেলিত জনগনের সেবা এবং বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী খুনি মোস্তাকের এলাকায় ৩৫ বৎসর আপনারা যে ইতিহাস বিকৃত করেছিলেন। তা বাদ দিয়ে সঠিক/প্রকৃত ইতিহাস   এবং “বঙ্গবন্ধুর আদর্শ” দাউদকান্দি-মেঘনার তরুন  প্রজন্মের কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে। স্যার এখন আপনার কাছে প্রশ্ন, আমাকে ও কি দুর্নীতি করতে হবে? “বড়লোক-কোটিপতি” হতে হবে?

স্যার আমার ছোট ব্যবসা থেকে যা আয় হয়, আপনার দোয়ায় আমার পরিবার নিয়ে মানসম্মত জীবনযাপন করে যাচ্ছি। আল্লাহ্ রহমতে, আমি পৃথিবীর সুখি মানুষদের মধ্যে ১জন। আমার ব্যক্তিগত গাড়ী আছে, আমার নেত্রী শেখ হাসিনা, আমি অবসরে যাবার পরেও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে জলসিঁড়িতে ৫ কাঠা জমি দিয়েছেন। স্যার, আর কি লাগবে? লন্ডন বা মালেশিয়াতে কি বাড়ি অথবা সেকেন্ড হোম করতে হবে? যাদের ঐ সব দেশে বাড়ি নাই, উনারা কি এই দেশে সুখে নাই? আমার মনে হয়, যারা দুর্নীতি করে তাদেরই সেকেন্ড হোম লাগে। দুর্নীতি করে, কোটিপতি হয়ে ঐ টাকা দিয়ে আমি কি করবো?

ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন স্যার, আপনার দেয়া “কাঁঠাল পাতা” দাউদকান্দি-মেঘনার জনগন চিনে গেছে। এই ডিজিটাল যুগে নতুন তরুণ প্রজন্ম, সমাজকে “কাঁঠাল পাতা” দিল কাজ হবে না।

“দুদক সূত্রে জানা গেছে, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী থাকা অবস্থায় ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিপুল পরিমান অর্থ-সম্পত্তির মালিক হয়েছেন। ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি দুর্নীতি ও মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা গোপনে আইন লঙ্ঘন করে যুক্তরাজ্যের ‘লর্ড টিএসবি অফসোর প্রাইভেট’ ব্যাংকে তার নিজের ও স্ত্রী বিলকিস আক্তারের যৌথ নামে ৮ লাখ ৪ হাজার ১৪২ ব্রিটিশ পাউন্ড পাচার করেন। যা বাংলাদেশি টাকায় ৯ কোটি ৫৩ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮১ টাকা। এটি মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০০২ এর ১৩ ধারা, ২০০৯ এর ৪ ধারা এবং ২০১২ এর ৪ ধারায় অপরাধ হওয়ায় দুদক তার বিরুদ্ধে একটি মামলাটি দায়ের করে। কমিশনের পরিচালক নাসিম আনোয়ার বাদী হয়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মামলাটি (মামলা নং-১৩) দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ড. মোশাররফ হোসেনের দেয়া সম্পদ বিবরণীর বাইরে, যুক্তরাজ্যের একটি প্রাইভেট ব্যাংকে ৮ লাখ ৪ হাজার ১৪২ ব্রিটিশ পাউন্ড জমা করেন। তিনি এ টাকা দেশ থেকে যুক্তরাজ্যে পাঠানোর সময় বৈদেশিক মুদ্রা হিসাব খোলার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন গ্রহণ করেননি। যাতে বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৪৭ এর ৫ ধারা লঙ্ঘিত হয়। তিনি ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন ওই টাকা পাচার করেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণ পাওয়া যায়। অতি শীঘ্রই মামলার রায় হবে। স্বাক্ষীদের স্বাক্ষ্য নেয়া শেষ।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গোয়েন্দা সংস্থা “গ্লোবাল ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্ক” (জিআইএন) বিএনপি সরকারের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফের আর্থিক দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত করে। এই সংস্থাটি দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্টের দুর্নীতির খবর প্রথম উন্মোচন করেছিল। তদন্তে  খন্দকার মোশারফের রয়েছে সিঙ্গাপুরের মেরিনা বে তে বিলাসবহুল হোটেলের শেয়ার। মেরিনা বে হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টের ১৩ হাজার শেয়ারের মালিক তিনি। প্রতিটি শেয়ারের মূল্য ২০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার অর্থাৎ ১১ লাখ টাকা। খন্দকার মোশারফের সিঙ্গাপুরে দুটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে। মালয়েশিয়ায় রয়েছে তিনটি অ্যাপার্টমেন্ট।”

দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলার মোট জনসংখ্যার ৭০ ভাগই তরুণ।

“চোর ধরো, জেল ভরো, দাঙ্গা ঠেকাও, উপজেলা বাঁচাও’- এই স্লোগান সামনে রেখে দাউদকান্দি-মেঘনার তরুনরা এগিয়ে যাচ্ছে।

“তরুণরাই গড়বে নতুন দেশ। ডিজিটাল হবে বাংলাদেশ।” তরুণরাই গড়বে আগামীর দাউদকান্দি-মেঘনা উপজেলা।

ইনশাল্লাহ, আগামীতে দাউদকান্দি-মেঘনার তরুণরাই নেতৃত্ব দিবে।।

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।।